বাংলা ভাষার প্রাণ হল তার সমৃদ্ধ বর্ণমালা। ব্রাহ্মী লিপি থেকে শুরু করে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সংস্কার পর্যন্ত এর পথচলা সুদীর্ঘ।
যে কোনো ভাষার ধ্বনিকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়, তাদের সমষ্টিকে বর্ণমালা (Alphabet) বলে। বাংলা লিপি মূলত প্রাচীন ভারতীয় ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত এবং পরবর্তীতে কুটিল লিপির স্তর পার হয়ে প্রায় হাজার বছর আগে বাংলা-অসমীয়া লিপিশৈলীতে রূপলাভ করে। চর্যাপদের পদাবলি থেকে শুরু করে বর্তমান ডিজিটাল যুগ পর্যন্ত এই লিপি তার সৌন্দর্য ও বৈজ্ঞানিক ধ্বনিতত্ত্ব অক্ষুণ্ণ রেখেছে।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সংস্কার: ১৮৫৫ সালে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর রচিত 'বর্ণপরিচয়' গ্রন্থে বাংলা বর্ণমালাকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে সংস্কার করেন। তিনি সংস্কৃত অপ্রয়োজনীয় বর্ণ যেমন 'ঌ' (লি) ও 'ৡ' (লী) বাদ দেন এবং লোকউচ্চারণে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে ওঠা 'ড়', 'ঢ়' ও 'য়'-কে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে বর্ণমালায় বিধিবদ্ধ করেন। পরবর্তীতে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ ও আধুনিক পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি এই ৫০টি বর্ণকে প্রমিত মান্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বাংলা ও অসমীয়া লিপির মূল ভিত্তি এক। অসমীয়া বর্ণমালায় মোট ৫২টি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে বাংলা 'র'-এর স্থলে 'ৰ' এবং অতিরিক্ত অন্তঃস্থ 'ৱ' ব্যবহৃত হয়। উভয় বর্ণমালাই পূর্বাঞ্চলীয় নাগরী লিপির উত্তরাধিকারী এবং এদের উচ্চারণরীতি ও বানানবিধিতে গভীর সাংস্কৃতিক যোগসূত্র রয়েছে।
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস-তাড়িত বাতাস মুখগহ্বরের কোথাও বাধা পায় না এবং যা অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজেই স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হতে পারে, তাকে স্বরধ্বনি বলে। বাংলায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে।
| শ্রেণি | বর্ণ / ধ্বনি | সংখ্যা | ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ |
|---|---|---|---|
| মৌলিক স্বরধ্বনি | অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা | ৭টি | সরল একক উচ্চারণ। ফুসফুসের বাতাস অখণ্ডভাবে উচ্চারিত হয়। (দ্রষ্টব্য: 'অ্যা' ধ্বনির লিখিত রূপ বাংলায় পৃথক নেই, কিন্তু এক/দেখা শব্দে বিদ্যমান)। |
| যৌগিক স্বরবর্ণ (দ্বিস্বর) | ঐ (ও+ই), ঔ (ও+উ) | ২টি | দুটি একক স্বরের সমন্বয়ে তৈরি। তবে কথ্য বাংলায় মোট ২৫টি যৌগিক স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয় (যেমন: যাই, মৌ, খায়)। |
| হ্রস্বস্বর | অ, ই, উ, ঋ | ৪টি | উচ্চারণে তুলনামূলক কম সময় লাগে। |
| দীর্ঘস্বর | আ, ঈ, ঊ, এ, ঐ, ও, ঔ | ৭টি | উচ্চারণে হ্রস্বস্বরের চেয়ে দ্বিগুণ বা কিছুটা বেশি সময় লাগে। |
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস মুখের কোথাও না কোথাও বাধা পায় বা ঘর্ষণ সৃষ্টি করে এবং যা স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হতে পারে না, তাকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। বাংলায় মোট ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে।
যে বর্ণগুলো স্বর বা ব্যঞ্জন কোনো স্বাভাবিক বর্গের মধ্যে পড়ে না এবং যা স্বাধীনভাবে কখনোই শব্দে ব্যবহৃত হতে পারে না—সর্বদা পূর্ববর্তী বর্ণের আশ্রয়ে থেকে উচ্চারিত হয়, তাদের অযোগবাহ বর্ণ বা পরাশ্রয়ী বর্ণ বলে।
| বর্ণ | নাম | ধ্বনিতাত্ত্বিক স্বরূপ ও উচ্চারণ | শব্দে ব্যবহারের প্রমিত উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| ং | অনুস্বার (Anusvara) | নাসিক্য অঘোষ ধ্বনি। মূলত 'ঙ'-এর হসন্ত রূপ (ঙ্)-এর সমতুল্য। | অংশ, বাংলা, সিংহ, রং, অহিংসা, বংশ |
| ঃ | বিসর্গ (Visarga) | শব্দের মধ্যে থাকলে পরবর্তী ব্যঞ্জনকে দ্বিত্ব করে; অন্তে থাকলে মৃদু শ্বাসযুক্ত 'হ'-ধ্বনি তৈরি করে। | দুঃখ [দুক্খো], অন্তঃকরণ, নিঃশব্দ, প্রায়ঃ, ফলতঃ |
| ঁ | চন্দ্রবিন্দু (Candrabindu) | অনুনাসিক দ্যোতক চিহ্ন। এটি কোনো স্বাধীন ধ্বনি নয়, স্বরধ্বনিকে নাসিক্য রূপ প্রদান করে। | চাঁদ [tʃãd], বাঁশি, পাঁচ, হাঁস, কাঁচা |
স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে মিলিত হয়, তখন তার পূর্ণ রূপ বদলে গিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করে। এই সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলে।
বাংলা ভাষার প্রতিটি একক ব্যঞ্জনবর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণের সাথেই 'অ' ধ্বনিটি স্বাভাবিকভাবে অন্তর্লীন হয়ে থাকে (যেমন: ক = ক্ + অ, ম = ম্ + অ)। এই কারণে 'অ'-কে সহজাত স্বর, বিলীন স্বর বা Inherent Vowel বলা হয়। এজন্য এর জন্য কোনো আলাদা সাংকেতিক চিহ্নের প্রয়োজন হয় না।
| স্বরবর্ণ | কার চিহ্ন | কারের নাম | অবস্থান | ক + কার | শব্দের প্রমিত উদাহরণ |
|---|---|---|---|---|---|
| অ | — | কার নেই (বিলীন স্বর) | অন্তর্নিহিত | ক (ক্ + অ) | কলম, কমল, কর |
| আ | া | আ-কার | বর্ণের পরে (ডানে) | কা | কাক, কাগজ, আকাশ |
| ই | ি | হ্রস্ব ই-কার | বর্ণের পূর্বে (বামে) | কি | দিন, কিতাব, পাখি |
| ঈ | ী | দীর্ঘ ঈ-কার | বর্ণের পরে (ডানে) | কী | নদী, গভীর, তীর |
| উ | ু | হ্রস্ব উ-কার | বর্ণের নিচে | কু | ফুল, কুকুর, সুখ |
| ঊ | ূ | দীর্ঘ ঊ-কার | বর্ণের নিচে | কূ | মূল, দূর, কূল |
| ঋ | ৃ | ঋ-কার | বর্ণের নিচে | কৃ | কৃষক, গৃহ, পৃথিবী |
| এ | ে | এ-কার | বর্ণের পূর্বে (বামে) | কে | দেশ, মেঘ, বেল |
| ঐ | ৈ | ঐ-কার | বর্ণের পূর্বে (বামে) | কৈ | কৈশোর, বৈশাখ, সৈকত |
| ও | ো | ও-কার | বর্ণের উভয় পাশে (ে + া) | কো | লোক, কোল, কোকিল |
| ঔ | ৌ | ঔ-কার | বর্ণের উভয় পাশে (ে + ৗ) | কৌ | কৌতুহল, নৌকা, মৌমাছি |
ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত বা সাংকেতিক রূপ পরিগ্রহ করে, তখন তাকে ফলা বলে। বাংলায় মোট ৬টি ফলা রয়েছে।
| ফলার নাম | চিহ্ন | মূল ব্যঞ্জন | উচ্চারণগত ধ্বনি পরিবর্তন বিধি | প্রমিত উদাহরণ |
|---|---|---|---|---|
| য-ফলা | ্য | য (য়) | শব্দের শুরুতে থাকলে 'অ্যা' [æ] বা 'এ' উচ্চারণ হয় (ব্যথা = ব্যাথা); মাঝে বা শেষে থাকলে সেই ব্যঞ্জন দ্বিত্ব হয়। | ব্যক্তি [ব্যাক্তি], ব্যাকরণ, সত্য [শোত্তো], সাহায্য |
| র-ফলা ও রেফ | ্ৰ / র্ | র | ব্যঞ্জনের নিচে বসলে র-ফলা (গ্র, প্র); ব্যঞ্জনের পূর্বে উচ্চারিত হলে মাথার উপরে রেফ রূপে বসে (সর্প, বর্ষা)। | গ্রাম, প্রথম, তীব্র, সূর্য, বর্ণ, ধর্ম |
| ল-ফলা | ্ল | ল | মূল ব্যঞ্জনের সাথে ল-ধ্বনি অবিচ্ছিন্নভাবে দ্রুত উচ্চারিত হয়। | ক্লাস, অম্ল, শুক্ল, গ্লানি, উল্লাস |
| ব-ফলা | ্ব | ব | শব্দের শুরুতে ব-ফলার উচ্চারণ হয় না (যেমন: স্বর = শোর); মাঝে বা শেষে থাকলে ব্যঞ্জনটি দ্বিত্ব হয় (যেমন: বিশ্ব = বিশ্শো)। | স্বদেশ [শদেশ], দ্বিতীয় [দ্বিতীও], বিদ্বান, অশ্ব |
| ম-ফলা | ্ম | ম | শব্দের শুরুতে থাকলে উচ্চারণ নাসিক্য ভাব আনে (স্মরণ = শঁরোন্); মাঝে বা শেষে থাকলে ব্যঞ্জন দ্বিত্ব হয়ে নাসিক্য হয়। | স্মৃতি [সঁরিতি], পদ্ম [পদ্দোঁ], ভস্ম, আত্মীয় |
| ন / ণ-ফলা | ্ন / ্ণ | ন / ণ | পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে নাসিক্য ধ্বনি হিসেবে মিলিত উচ্চারিত হয়। | রত্ন, যত্ন, প্রশ্ন, কৃষ্ণ, তৃষ্ণা, মধ্যাহ্ন |
বাংলা লিপিতে বর্ণের মাথার ওপর অনুভূমিক রেখাকে মাত্রা বলে। মাত্রার উপস্থিতি ও পরিমাপের ভিত্তিতে ৫০টি বর্ণকে তিনটি সুস্পষ্ট শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
স্বরবর্ণ (৬টি): অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ
ব্যঞ্জনবর্ণ (২৬টি): ক, ঘ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, দ, ধ, ন, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়
স্বরবর্ণ (১টি): ঋ
ব্যঞ্জনবর্ণ (৭টি): খ, গ, ণ, থ, প, শ, ধ (দ্রষ্টব্য: প্রমিত ব্যাকরণে ধ-কে সাধারণত অর্ধমাত্রা ধরা হয়)
স্বরবর্ণ (৪টি): এ, ঐ, ও, ঔ
ব্যঞ্জনবর্ণ (৬টি): ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ
ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি বর্ণকে স্পর্শ বর্ণ বা বর্গীয় বর্ণ বলে। উচ্চারণের অঙ্গ ও স্থানের ভিত্তিতে এদের ৫টি বর্গে ভাগ করা হয়েছে।
| বর্গ | উচ্চারণ স্থান | অঘোষ অল্পপ্রাণ (১ম) | অঘোষ মহাপ্রাণ (২য়) | ঘোষ অল্পপ্রাণ (৩য়) | ঘোষ মহাপ্রাণ (৪র্থ) | নাসিক্য / সানুনাসিক (৫ম) |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ক-বর্গ | জিহ্বামূল / কণ্ঠ্য | ক | খ | গ | ঘ | ঙ |
| চ-বর্গ | তালু / তালব্য | চ | ছ | জ | ঝ | ঞ |
| ট-বর্গ | মূর্ধা / পশ্চাদ্দন্তমূলীয় | ট | ঠ | ড | ঢ | ণ |
| ত-বর্গ | দন্ত / দন্ত্য | ত | থ | দ | ধ | ন |
| প-বর্গ | ওষ্ঠ / ওষ্ঠ্য (ঠোঁট) | প | ফ | ব | ভ | ম |
একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণ পরস্পর সংযুক্ত হয়ে যখন একটি যৌথ রূপ পরিগ্রহ করে, তাকে যুক্তবর্ণ বলে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এদের বিশ্লেষণ ও উচ্চারণ জানতে চাওয়া হয়।
| যুক্তবর্ণ | সঠিক গঠন (বিশ্লেষণ) | প্রমিত উচ্চারণ | শব্দে ব্যবহারের উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| ক্ষ | ক্ + ষ | শুরুর দিকে 'খ' (ক্ষতি), মাঝে বা শেষে 'ক্খ' (শিক্ষা) | ক্ষমা, বৃক্ষ, পরীক্ষা, শিক্ষা, ক্ষেত্র |
| জ্ঞ | জ্ + ঞ | শব্দের শুরুতে 'গ্যাঁ' (জ্ঞান = গ্যাঁন); মাঝে 'গ্গ্যাঁ' | জ্ঞান, বিজ্ঞান, অজ্ঞ, প্রজ্ঞা, বিশেষজ্ঞ |
| হ্ম | হ্ + ম | 'মূহ্' বা 'ম' এর সাথে গভীর শ্বাস (ব্রাম্হোন) | ব্রাহ্মণ, ব্রহ্মপুত্র, ব্রহ্মা |
| হ্ন | হ্ + ন (দন্ত্য ন) | 'ন' প্রাধান্য পায় (চিহ্ন = চিন্হো) | চিহ্ন, বহ্নি, জাহ্নবী |
| হ্ণ | হ্ + ণ (মূর্ধন্য ণ) | 'ণ' প্রাধান্য পায় | অপরাহ্ণ, সায়াহ্ণ |
| ঙ্ক | ঙ্ + ক | ঙ-যুক্ত ক | অঙ্ক, লঙ্কা, আতঙ্ক, অঙ্কুর |
| ঙ্গ | ঙ্ + গ | ঙ-যুক্ত গ | বঙ্গ, গঙ্গা, অঙ্গ, সঙ্গী |
| ঞ্চ | ঞ্ + চ | ঞ-যুক্ত চ | পঞ্চ, চঞ্চল, কাঞ্চন, মঞ্চ |
| ঞ্জ | ঞ্ + জ | ঞ-যুক্ত জ | পঞ্জিকা, গঞ্জ, কুঞ্জ, অঞ্জলি |
| ণ্ট / ণ্ড | ণ্ + ট / ণ্ + ড | মূর্ধন্য নাসিক্য | ঘণ্টা, বণ্টন / দণ্ড, কাণ্ড, পণ্ডিত |
| ষ্ণ | ষ্ + ণ | মূর্ধন্য ষ + ণ | কৃষ্ণ, উষ্ণ, তৃষ্ণা, বিষ্ণু |
| ত্র | ত্ + র | ত-যুক্ত র-ফলা | ছাত্র, রাত্রি, ত্রিভুজ, শত্রু |
বাংলা লিপির নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী সংখ্যা পদ্ধতি রয়েছে যা সরকারি নথিপত্র, প্রাচীন সাহিত্য ও প্রাথমিক শিক্ষায় ব্যবহৃত হয়।
শিক্ষক নিয়োগ ও রাজ্যস্তরের সরকারি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বিগত বছরের প্রশ্নপত্রের ধাঁচে প্রণীত ১৫টি প্রামাণ্য প্রশ্ন।
পরীক্ষার ঠিক আগে রিভিশন দেওয়ার জন্য এক নজরে বর্ণমালার যাবতীয় সংখ্যা ও নিয়মাবলী।
| ধ্বনিতাত্ত্বিক বিষয় | সংখ্যা | অন্তর্ভুক্ত বর্ণ ও বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|---|
| মোট প্রমিত বর্ণ | ৫০টি | ১১টি স্বরবর্ণ + ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ |
| স্বরবর্ণ | ১১টি | অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ |
| ব্যঞ্জনবর্ণ | ৩৯টি | ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত |
| মৌলিক স্বরধ্বনি | ৭টি | অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা [æ] |
| যৌগিক স্বরবর্ণ | ২টি | ঐ (ও+ই), ঔ (ও+উ) |
| কার চিহ্ন | ১০টি | আ-কার থেকে ঔ-কার ('অ'-এর কার নেই) |
| ফলা চিহ্ন | ৬টি | ন/ণ, ব, ম, য, র, ল ফলা |
| পূর্ণমাত্রা বর্ণ | ৩২টি | স্বরবর্ণ ৬টি + ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি |
| অর্ধমাত্রা বর্ণ | ৮টি | স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) + ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, প, শ, ধ) |
| মাত্রাহীন বর্ণ | ১০টি | স্বরবর্ণ ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ) + ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ) |
| স্পর্শ বা বর্গীয় বর্ণ | ২৫টি | ক থেকে ম পর্যন্ত (৫টি বর্গে বিভক্ত) |
| উষ্ম বা শিস বর্ণ | ৪টি | শ, ষ, স, হ |
| অযোগবাহ বর্ণ | ৩টি | ং (অনুস্বার), ঃ (বিসর্গ), ঁ (চন্দ্রবিন্দু) |
| তাড়নজাত বর্ণ | ২টি | ড়, ঢ় |
শিক্ষার্থী ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার্থীদের সচরাচর উত্থাপিত প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ সমাধান।
আসাম ডিরেক্টরি ব্লগে রয়েছে আসাম ও পূর্বাঞ্চলের সংস্কৃতি, ভাষা, লোকঐতিহ্য ও শিক্ষাবিষয়ক গভীর তথ্যমূলক নিবন্ধসমূহ।